‘নারীবাদীরা নারী স্বাধীনতার কথা বলে নারীদেরকে উন্মুক্ত করে চলছে’


জাগো প্রহরী :
ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল-২০২০’ পাস হয়েছে। অপরাধের শিকার ব্যক্তির পাশাপাশি ‘অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির’ মেডিক্যাল পরীক্ষা করার বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও ‘ধর্ষিতা’ শব্দটি বদলে ‘ধর্ষণের শিকার’ শব্দ যুগ করে সংসদে আনা বিল পাস হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম ফজিলাতুন নেসা সংসদীয় কমিটির সুপারিশ আকারে বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি পাসের আগে সেটি জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব তোলার সময় সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাবলু আইনটি নিয়ে আলোচনা করেন।

সংসদে দাঁড়িয়ে সাংসদ রেজাউল করিম বাবলু বলেন, এখানে কী দেখছি মাননীয় স্পিকার, নারীবাদীরা নারী স্বাধীনতার কথা বলে নারীদেরকে উন্মুক্ত করে চলছে। যার কারণেই ধর্ষকেরা ধর্ষণের অনুভূতিকে এতটা একসেপ্ট করেছে যে ধর্ষণে উৎসাহিত হচ্ছে।

সাংসদ রেজাউল করিম বাবলু বলেন, আইনটি এখানে উত্থাপন করা হচ্ছে সেটি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমরা কী দেখি মাননীয় স্পিকার, করি তো ধুলা দূর, রাজ্য ধুলায় ভরপুর। এত আইন করেছি, কিন্তু শুধুমাত্র সঠিক বাস্তবায়ন, প্রণয়ন ও প্রয়োগের কারণে আমাদের আইনগুলো ভেস্তে চলে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমি যেটা বলবো, আমরা ইতিপূর্বে আল্লামা শফি সাহেবকে তেঁতুল হুজুর বলে উল্লেখ করেছি মাননীয় স্পিকার। আল্লামা তেঁতুল হুজুরের তেঁতুল থিওরিটাও যদি কাজে লাগানো যেত, তাহলে ধর্ষকেরা ধর্ষণ থেকে পিছপা হত। ধর্ষণ থেকে তারা নিরুৎসাহিত হত। তাদের ভিতরে ধর্মীয় অনূভূতি আসত।

জাগো প্রহরী/এফআর

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য