হেফাজতে ইসলামের আমীর বাবুনগরী, মহাসচিব কাসেমী


জাগো প্রহরী :
শায়খুল হাদিস আল্লামা হাফেজ জুনাইদ বাবুনগরীকে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির নির্বাচিত করা হয়েছে। মহাসচিব হয়েছেন আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী (ঢাকা)। সারা দেশ থেকে আসা প্রতিনিধিদের অংশ গ্রহণের মধ্যদিয়ে জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে (কাউন্সিল) রোববার অরাজনৈতিক এই সংগঠনের ১৫১ নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

হেফাজতের কেন্দ্রীয় কার্যালয় হিসাবে পরিচিত চট্টগ্রামের আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রবীণ আলেমেদ্বীন আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীকে প্রধান উপদেষ্টা করে ২৪ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটিও গঠন করা হয়। নতুন কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন আল্লামা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় সম্মেলন শুরু হয়। সম্মেলনকে ঘিরে হাটহাজারী জুড়ে নেতাকর্মীদের ভিড়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিনিধিরা সম্মেলনে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছেন। এর বাইরে শত শত নেতকর্মী হাটহাজারী মাদরাসার আশপাশে অবস্থান নেন। প্রতিষ্ঠার দশ বছর প্রথম এই কাউন্সিলকে ঘিরে সারা দেশে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।

এই সম্মেলন ও কাউন্সিলে সারা দেশ থেকে আসা পাঁচ শতাধিক প্রতিনিধি হেফাজতের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করেন। প্রতিষ্ঠাতা আমির শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী গত ১৮ সেপ্টেম্বর ইন্তেকাল করেন। প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব হাটহাজারী মাদরাসার শায়খুল হাদিস আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরীর আল্লামা শফীর স্থলাভিষিক্ত হলেন। আগের কমিটিতে সহ-সভাপতি ছিলেন প্রবীণ আলেম মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমী। প্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতে ১৫১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সম্মেলনে যোগ দিতে আগেই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিনিধিরা চট্টগ্রাম আসেন। সারা দেশ থেকে আগত প্রতিনিধিরা সম্মেলনে যোগ দেন। অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্মেলন সম্পন্ন হয়। তবে সম্মেলনে আগের কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আল্লামা শাহ আহমদ শফীর পুত্র মাওলানা আনাস মাদানীকে সম্মেলনে দেখা যায়নি।

বিগত ২০১০ সালের ১৯ জানুয়ারি হেফাজতে ইসলামের যাত্রা শুরু হয়। দেশে নাস্তিক মুরতাদ ও ইসলাম অবমানকারীদের বিরুদ্ধে ১৩ দফা দাবিতে আন্দোলন করে দেশব্যাপী ব্যাপক পরিচিতি পায় এই সংগঠনটি।

জাগো প্রহরী/এফজে

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য