ধর্ষণ বন্ধে ধর্ষণের উপসর্গসমূহ বন্ধ করতে হবে: মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী


জাগো প্রহরী :
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী বলেছেন, ধর্ষণ বন্ধ করার জন্য শুধু কঠোর আইন চালু করলেই হবেনা, এ আইন দ্রুত যথাযথ স্থানে প্রয়োগ করতে হবে। যিনা-ব্যভিচার ও ধর্ষণের উপসর্গ সমূহ বন্ধ করতে হবে। ওয়েব সিরিজ, ভারতীয় চলচ্চিত্র, পর্নোগ্রাফি, সিনেমা, নাটক, টেলিফিল্ম ও ইন্টারনেটে সকল প্রকার নগ্নতা, যৌনতা-অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা চলছে। এই সবে নগ্ন ও ধর্ষণের দৃশ্য দেখে- শিখে সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টার কারণেই সমাজ ও রাষ্ট্রে ধর্ষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বয়সের দোহাই দিয়ে বিয়ের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় প্রতিবন্ধকতাও একটি কারণ।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১১ টায় কামরাঙ্গীরচর মাদরাসায় উলামায়ে কেরামদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মাওলানা শেখ আজিম উদ্দিন, মাওলানা সাজেদুর রহমান ফয়েজী, মুফতি মুজিবুর রহমান, মুফতি সুলতান মহিউদ্দিন, মাওলানা সানাউল্লাহ হাফেজ্জী, মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জী,মুফতী মফিজুর রহমান, মাওলানা আবরারুজ্জামান পাহাড়পুরী, মাওলানা মাসুদুর রহমান, মাওলানা মাহবুবুল্লাহ ও মাওলানা আবুল কাসেম রায়পুরী প্রমূখ

মাওলানা আতাউল্লাহ আরো বলেন, যুব সমাজের নৈতিক অধঃপতন রোধ এবং কিশোর, তরুণ ও যুব সমাজের চারিত্রিক ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে সরকারকে আরো সচেতন হতে হবে। পরিবার- সমাজে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাষ্ট্রীয়ভাবে আল্লাহভীরুতা, ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ চর্চা করতে হবে। শিক্ষার সকল স্তরে মুসলমানদের জন্য ইসলামী শিক্ষা এবং নামাজ পড়া বাধ্যতামূলক করতে হবে। চারিত্রিক উন্নয়নের জন্য দেশের আলেম-ওলামাদের জন্য আলেম-ওলামা ইমাম খতিব শুক্রবার জুমার নামাজের পূর্বে আত্মশুদ্ধি মূলক বয়ান গুরুত্বসহকারে চালু করতে হবে। মেয়েদের জন্য ইসলামের শরীয়া পর্দা ও শালীন পোশাক পরিধানে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

জাগো প্রহরী/এফআর

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ