অস্ত্র মামলায় যুব মহিলা লীগ নেত্রী পাপিয়া ও তার স্বামীর ২০ বছরের কারাদণ্ড


জাগো প্রহরী :
নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে করা মামলায় তাদের দুজনের ২০ বছর করে কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত।

সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর মামলাটির যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে রায় ঘোষণায় আজকের তারিখ ঠিক করেছিলেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ।

রায় ঘোষণার সময় পাপিয়া দম্পতিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে ফের কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে আদালত এ মামলায় চার্জশিটের ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে মঙ্গলবারসহ ৬ কার্যদিবসে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। তার আগে গত ২৩ আগস্ট মামলাটিতে আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জগঠন করেন। তারও আগে গত ২৯ জুন এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-১’র এসআই মো. আরিফুজ্জামান এ মামলায় চার্জশিট দাখিল করেন।

চলতি বছর ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুজন সঙ্গীসহ পাপিয়া এবং তার স্বামীকে আটক করে র‌্যাব-১। ওই সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি পাসপোর্ট, দুই লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ টাকার জাল নোট, ১১ হাজার ৪৮১ ডলার, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের কিছু মুদ্রা এবং দুটি ডেবিট কার্ড জব্দ হয়। পরে পাপিয়ার ফার্মগেটের বাসার ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ২০টি গুলি, পাঁচ বোতল বিদেশি মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন ব্যাংকের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড উদ্ধার করে র‌্যাব।

ওই ঘটনায় মাদক, অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে শেরেবাংলা নগর ও বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তী সময়ে মামলাগুলোয় দুই দফায় তাদের ৩০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। রিমান্ড শেষে তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

জাগো প্রহরী/গালিব

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য