গির্জায় আটকে কিশোরী ধর্ষণ, ফাদার গ্রেপ্তার


জাগো প্রহরী : রাজশাহীর তানোর উপজেলায় গির্জায় আটকে রেখে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফাদার প্রদীপ গ্যা গরীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। মঙ্গলবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী নগরীর আমচত্বর সংলগ্ন বিশপ হাউজ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তানোর থানায় তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়। র‌্যাব-৫ এর রাজশাহীর কোম্পানি অধিনায়ক এটিএম মাইনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এটিএম মাইনুল বলেন, ধর্ষণের খবর জানতে পারার পর থেকেই পলাতক প্রদীপ গ্যা গরীকে গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা শুরু হয়। পরে রাতেই তাকে বিশপ হাউজ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে তানোর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। ফাদার প্রদীপ গ্যা গরীর তানোর উপজেলার সাধুজন মেরী ভিয়ান্নী গির্জায় কর্মরত ছিলেন।

তানোর উপজেলার মুণ্ডুমালা মাহালীপাড়া এলাকার সাধুজন মেরী ভিয়ান্নী গির্জার ফাদার প্রদীপ। এলাকার আদিবাসী খ্রিস্ট্রান সম্প্রদায়ের ওই কিশোরী গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাড়ির পাশে ওই গির্জার পাশে ঘাস কাটতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে পরদিন রবিবার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার ভাই।

ঘটনার শিকার কিশোরীর স্বজনেরা জানান, গত ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে গির্জার পাশে ঘাস কাটতে গিয়েছিল ওই কিশোরী। এরপর সে আর বাড়ি ফেরেনি। অনেক খুঁজেও তার সন্ধান পায়নি পরিবার। এ নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন নিখোঁজের বড় ভাই।

নিখোঁজের দুদিন পর ২৮ সেপ্টেম্বর খবর আসে ওই কিশোরীকে গির্জার অভ্যন্তরে নিজ কক্ষে আটকে রেখেছেন ফাদার। এ নিয়ে গ্রামের মোড়ল ও মুন্ডুমালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামেল মার্ডির নেতৃত্বে গির্জায় সালিশ বৈঠকে বসে। সেখানে ওই কিশোরীকে আটকে রেখে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন ফাদার প্রীপ গ্যাগরী। পরে তাকে সেখান থেকে সরিয়ে রাজশাহীতে নিয়ে যান কমিউনিটির নেতারা।

জাগো প্রহরী/এফআর

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ