সৌদি যেতে যেসব শর্ত মানতে হবে


জাগো প্রহরী : করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে বিশ্বের প্রায় সব দেশের সঙ্গেই বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় সৌদি আরব। দীর্ঘ পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর আবারও ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। তবে আপাতত বাংলাদেশসহ ২৫টি দেশের নাগরিকদের ওই দেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি শর্তও জুড়ে দেয়া হয়েছে।

সৌদি গেজেটের খবরে বলা হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষ। তবে কবে নাগাদ ফ্লাইট চালু হবে সে ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। শিগগিরই তা জানানো হবে।

প্রাথমিকভাবে যে ২৫টি দেশের নাগরিকদের সৌদিতে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। বাকি দেশগুলো হলো- সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, বাহরাইন, লেবানন, কুয়েত, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, গ্রিস, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিসর, তিউনিসিয়া, মরক্কো, চীন, ইংল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, সুদান, ইথিওপিয়া, কেনিয়া ও নাইজেরিয়া।

তবে বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলংকার নাগরিকরা আপাতত এ সুযোগ পাচ্ছে না। সৌদি আরব ভ্রমণ করতে হলে প্রথমে সে দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে একটি ফরম পূরণ করে তার মধ্যে বিস্তারিত তথ্য লিখে নিচে স্বাক্ষর করতে হবে। ফেরার সময় এটি আবার বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ডেস্কে জমা দিতে হবে।

ভ্রমণের আগে এক সপ্তাহ বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। এর মধ্যে চারদিন করোনা পরীক্ষার আগে এবং বাকি তিনদিন পরে। সৌদি আরবের টাটামন এবং তাওয়াক্বালনা অ্যাপস ডাউনলোড করে সেখানে গিয়ে নিবন্ধন করে নিতে হবে। সৌদিতে ফেরার ৮ ঘণ্টার মধ্যে টাটামন (tatamman) অ্যাপের মাধ্যমে সেখানের আবাসস্থল নির্ধারণ করতে হবে।

করোনার লক্ষণ সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে এবং যদি কোনো লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে সরাসরি ৯৩৭ নম্বরে ফোন করতে হবে অথবা সাধারণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। টাটামন অ্যাপসের মাধ্যমে প্রতিদিনের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি জানাতে হবে এবং কোয়ারেন্টাইনে থাকাকালীন সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিত ফরম অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

জাগো প্রহরী/গালিবসৌদি যেতে যেসব শর্ত মানতে হবে

জাগো প্রহরী : করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে বিশ্বের প্রায় সব দেশের সঙ্গেই বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় সৌদি আরব। দীর্ঘ পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর আবারও ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। তবে আপাতত বাংলাদেশসহ ২৫টি দেশের নাগরিকদের ওই দেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি শর্তও জুড়ে দেয়া হয়েছে।

সৌদি গেজেটের খবরে বলা হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষ। তবে কবে নাগাদ ফ্লাইট চালু হবে সে ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। শিগগিরই তা জানানো হবে।

প্রাথমিকভাবে যে ২৫টি দেশের নাগরিকদের সৌদিতে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। বাকি দেশগুলো হলো- সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, বাহরাইন, লেবানন, কুয়েত, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, গ্রিস, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিসর, তিউনিসিয়া, মরক্কো, চীন, ইংল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, সুদান, ইথিওপিয়া, কেনিয়া ও নাইজেরিয়া।

তবে বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলংকার নাগরিকরা আপাতত এ সুযোগ পাচ্ছে না। সৌদি আরব ভ্রমণ করতে হলে প্রথমে সে দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে একটি ফরম পূরণ করে তার মধ্যে বিস্তারিত তথ্য লিখে নিচে স্বাক্ষর করতে হবে। ফেরার সময় এটি আবার বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ডেস্কে জমা দিতে হবে।

ভ্রমণের আগে এক সপ্তাহ বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। এর মধ্যে চারদিন করোনা পরীক্ষার আগে এবং বাকি তিনদিন পরে। সৌদি আরবের টাটামন এবং তাওয়াক্বালনা অ্যাপস ডাউনলোড করে সেখানে গিয়ে নিবন্ধন করে নিতে হবে। সৌদিতে ফেরার ৮ ঘণ্টার মধ্যে টাটামন (tatamman) অ্যাপের মাধ্যমে সেখানের আবাসস্থল নির্ধারণ করতে হবে।

করোনার লক্ষণ সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে এবং যদি কোনো লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে সরাসরি ৯৩৭ নম্বরে ফোন করতে হবে অথবা সাধারণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। টাটামন অ্যাপসের মাধ্যমে প্রতিদিনের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি জানাতে হবে এবং কোয়ারেন্টাইনে থাকাকালীন সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিত ফরম অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

জাগো প্রহরী/গালিব

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ