প্রধানমন্ত্রী সঠিক নেতৃত্ব দিয়ে করোনাভাইরাস মোকাবিলা করছেন: তথ্যমন্ত্রী


জাগো প্রহরী : আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী সঠিক নেতৃত্ব দিয়ে করোনা ভাইরাস মোকাবিলা করছেন। যে কারণে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর হার সমগ্র পৃথিবীতে হাতেগোনা যে কয়টি দেশে সবচে কম তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যুর হার চায়না এবং ভারত-পাকিস্তানের চেয়েও কম।’

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে রাঙ্গুনিয়া শিল্পকলা একাডেমির মুক্তমঞ্চে ইউজিডিপি প্রকল্পের আওতায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা সরঞ্জামাদি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেঞ্চ এবং ২৫ হাজার গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছিলেন সবাইকে সম্মিলিত ভাবে এই দুর্যোগ মোকাবেলা করার জন্য। আজকে যারা সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান হাত প্রসারিত করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আমরা যদি সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালায় তাহলে করোনা ভাইরাস কেন যেকোন দুর্যোগ আমরা সম্মিলিতভাবে মোকাবিলা করতে পারবো।’

বিএনপির সমালোচনা করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে প্রথম দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার পর মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করেছিলেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ কেন কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করল, সেই কারণে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ করে দিলেন। বিএনপি যে জনগণের জন্য ভাবেন না, সেটির উদহারণ হলো- তারা শুধুমাত্র দলকানা নয় দলকানা হতে গিয়ে জনগণেরও বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন।’

তিনি বলেন, মানুষকে আরো ভালোমতে স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার জন্য বর্তমানে শেখ হাসিনার সরকার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে আরো শক্তিশালী করার জন্য স্বাস্থ্যসেবা সামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছেন। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শিশু কিশোরদের জন্য স্কুল শিক্ষা অবৈতনিক করেছেন, এবং ছাত্রীদের জন্য ডিগ্রি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, বলেন, বাংলাদেশের কোন মা কোনদিন ভাবেনি তার সন্তানা স্কুলে গেলে মোবাইলে টাকা চলে আসে। বাংলাদেশে দেড়কোটি মা মোবাইলে টাকা পান, কারণ তাদের সন্তানেরা স্কুলে যায়। এটি পৃথিবীর আর কোন দেশে আছে কি-না আমার জানা নেই। নানা ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। যা অন্যান্য অনেক দেশের জন্য এটি উদাহরণ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রেহানুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী দিদারুল আলম, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাষ্টার আসলাম খাঁন প্রমুখ।

 জাগো প্রহরী/এফআর

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য