কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে রহমত অবতীর্ণ হয়, রোগ-বালা দূর হয় : মাও. আতাউল্লাহ হাফেজ্জী



জাগো প্রহরী : বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীরে শরীয়ত মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী বলেন, করোনাভাইরাস মানুষের পাপাচারের ফসল। ভাইরাস থেকে বাঁচতে আল্লাহর দিকে রুজু করা, তওবা-ইস্তেগফার করা বিশেষত বেশি বেশি কুরআনুল কারীম তিলাওয়াতের বিকল্প নেই। দেশের হাজার হাজার মাদরাসায় লক্ষ লক্ষ ছাত্র-শিক্ষকদের কুরআন তিলাওয়াত, চর্চা-গবেষণা অব্যাহত থাকলে জাতি করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে পারে। আল্লাহর কালাম তেলাওয়াত হলে রহমত অবতীর্ণ হয়। রোগ, বালা-মুসীবত ও আজাব-গজব দূর হয়ে যায়। তাই মহামারি থেকে বাঁচতে ঈদের পরে মাদরাসাগুলো উন্মুক্ত করে দিন।

আজ শনিবার ( ৯ মে ) রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের ৫৫ নং ওয়ার্ডের ইমাম ও ওলামায়ে কেরামের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, জামিয়া দ্বীনিয়া শামসুল উলূম মতিঝিলের মুহাদ্দিস মুফতি আব্দুল হাফিজ, জামিয়া বেলাল রাযি. ঝাউচরের মুহতামিম মাওলানা সাঈদ মেসবাহ, জামিয়া নূরিয়ার মুহাদ্দিস মুফতি ইলিয়াছ মাদারীপুরী, মাহদী নগর মাদরাসার মুহতামিম মুফতি মুফীজুর রহমান, খেলাফত আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি সুলতান মহিউদ্দীন, জাতীয় ইমাম পরিষদের সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি আ ফ ম আকরাম হুসাইন ও হাফেজ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ। 

ওলামায়ে কেরাম বলেন, করোনা ভাইরাসের এই সঙ্কটকালীন মূহুর্তে আল্লাহর রহমত ত্বরান্বিত করতে ইবাদত-বন্দেগী বাড়িয়ে দিতে হবে। আমরা আশাবাদী, সরকার দ্রুত কুরআনী প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দিয়ে করোনা ভাইরাসের বিপদমুক্তির জন্য দোয়ার পরিবেশ তৈরি করে দিবেন।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মুফতি আল আমিন, মুফতি জসীমুদ্দীন, মাওলানা জাকির হুসাইন, মুফতি মুহসেনুদ্দীন, মুফতি আমানুল্লাহ বসন্তপুরী, মুফতি ইসমাঈল, মুফতি আজহারুল ইসলাম ফরিদী, মাওলানা নজরুল ইসলাম, মুফতি মোশাররফ হুসাইন, মুফতি উসমান গণী, মাওলানা কামরুজ্জামান রাহমানী, মাওলানা কামাল উদ্দীন নোমানী ও মুফতি জাকির বিল্লাহ প্রমুখ।

জাগো প্রহরী/এফ আর

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য