মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী রহ. এর সাথে শেষ আলাপ


জাগো প্রহরী : মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী রহ. ৮৪ বছরের জিন্দেগিতে ইসলামী রাজনীতিতে প্রায় ৬০ বছর ধরে সক্রিয় ছিলেন ৷ সময়ে সময়ে রাজনীতির মারপ্যাচ দেখেছেন ও বুঝেছেন ৷ বর্তমানে যারা ইসলামী রাজনীতি করছেন,তাদের জন্য তার সাক্ষাৎকারটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ৷ ইতিহাস থেকে পথচলার পাথেয় ৷

হযরতের অপ্রকাশিত এই সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন মুফতি আমিনী সাহেব রহ. এর দৌহিত্র,বর্তমানে জামেয়া আল-আজহার মিশরে অধ্যয়ণরত আশরাফ মাহদী ৷  সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় পর্ব জাগো প্রহরীর পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

আশরাফ : আপনি ছাত্র রাজনীতি করেছেন ১৯৬১ সালে। মূলধারার রাজনীতিতে এসেছেন ১৯৭৬ এরও পর। মাঝখানে এই দীর্ঘ বিরতির কারণ কি?

নেজামী : বিরতিতে আমি রাজনীতি করিনাই এমন না। নেযামে ইসলাম বা অন্য কোন রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত হইনাই, এটা সত্য। আসলে আমরা তো আদর্শিক একটা ছাত্র সংগঠন করতাম। সেকারণে আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক কোন রাজনীতি করা আমার জন্য কঠিন ছিল। তাই আমরা কয়েকজন মিলে পাকিস্তান আমলে একটা সংগঠন করেছিলাম "ইসলামিক পার্টি অফ পাকিস্তান" নামে। কিন্তু সামরিক সরকারের চাপে তো স্বাধীনভাবে রাজনীতি করাও যেত না। যার ফলে দলটা একটিভ হয়নি।

আশরাফ : তখন তাহলে মৌলিকভাবে আপনার সক্রিয়তার জায়গাটা কি ছিল?

নেজামী : স্বাধীনতার আগের সময়টাতে সাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক হিসেবেই এক্টিভ ছিলাম। ষাটের দশকের পর থেকেই সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নিয়েছি। একটা ইংরেজি পত্রিকাতেও লিখতাম নিয়মিত। এরপর তো ধীরে ধীরে পরিস্থিতি আরো অস্থিতিশীল হয়ে উঠলো। দেশ স্বাধীন হল। এরপর তো রাজনীতির সুযোগই থাকেনা। ১৯৭৬ এ রাজনীতিতে আসার আগ পর্যন্ত একজন পুরোদস্তুর সাংবাদিকই ছিলাম বলা যায়।

আশরাফ : স্বাধীনতার পর তো সকল প্রকার ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ হয়েছিল। এই সিদ্ধান্তকে কি তখন ধর্মের উপর আঘাত হিসেবে দেখা হয়েছিল?

নেজামী : সেই অর্থে আসলে দেখা হয়নি। কারণ সামাজিকভাবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান চালু ছিল। শেখ সাহেব ইসলামী একাডেমি বন্ধ করেন নাই। তবে নতুন করে ইসলামী একাডেমির নামকরণ করেছিলেন 'ইসলামী ফাউন্ডেশন'। অনেকে ভাবে ইসলামী ফাউন্ডেশন শেখ সাহেবের করা। এটা ভুল ধারণা। উনি শুধু আগের একটা প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করেছেন। 
তাছাড়া জমিয়ত সামাজিকভাবে দাওয়াতি কাজের অনুমতি পেয়েছিল। মাওলানা মহিউদ্দিন খান সাহেব সিরাত কমিটি করেছিলেন। শেখ সাহেবের সিদ্ধান্তে আঘাতটা আসলে ধর্মের উপরের চাইতে রাজনীতির উপর বেশি ছিল। বাকশাল কায়েম করতে গিয়ে সব ধরণের রাজনীতির উপরই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন তিনি। তাই এটাকে সামগ্রিক অর্থে রাজনীতির উপর আঘাত হিসেবেই দেখা হয়েছিল। 

আশরাফ : জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর ১৯৭৬ এ ধর্মভিত্তিক দলগুলো আবার যখন রাজনীতির সুযোগ পায় তখন সবাই মিলে ইসলামী ডেমোক্রেটিক লীগ গঠন করে। দীর্ঘ বিরতির পর ইসলামপন্থীদের ঐক্যের প্রেক্ষাপট কিভাবে তৈরী হয়?

নেজামী : ঐক্যের প্রেক্ষাপট তৈরিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল নেজামে ইসলামের প্রবীণ নেতা খতিবে আযমের। তার নেতৃত্বে নেযামে ইসলামের একটা অংশ, জামায়াতে ইসলামী ও পিডিবির কিছু অংশ মিলে গঠিত হয়েছিল আইডিএল (ইসলামি ডেমোক্রেটিক লীগ)। 

আশরাফ : পাকিস্তান আমলে জামায়াতের ইসলামীর চেয়েও ঐতিহ্যবাহী ও পরিচিত দল হওয়ার পরও স্বাধীনতার পর নেযামে ইসলাম পার্টি নিজেদের ব্যানারে পুনরায় সংগঠিত হল না কেন?

নেজামী : জিয়াউর রহমান সাহেব যখন ধর্মভিত্তিক রাজনীতির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেন তখন নেযামে ইসলাম আবার হবে কিনা এ নিয়ে একটা বৈঠক হয়েছিল আরমানিটোলায়। আমি সেখানে অংশগ্রহণ করেছিলাম। খতিবে আযম সে বৈঠকে বলেছিলেন, "যদি কোন দিন আবার রাজনীতি করার সু্যোগ হয় তাহলে সকল ইসলামপন্থীরা একসাথে রাজনীতি করবো। এই প্রতিজ্ঞা আমরা জেলে থেকেই করে এসেছি।" এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই সকল ইসলামপন্থীরা মিলে আইডিএল গঠন করে। যার ফলে আইডিএল প্রতিষ্ঠার পর নেযামে ইসলামের আলাদা কোন ব্যানারে কাজের সুযোগ একরকম বন্ধ হয়ে যায়।

আশরাফ : "বন্ধ হয়ে যায়" কেন বলছেন? আপনার মতে কি আইডিএলের চেয়ে নেযামে ইসলামের ব্যানার অধিক কার্যকর হতো?

নেজামী : শুধু আমার মতে না। নেযামে ইসলামের একাংশের নেতারাও তাই মনে করতেন। এটা নিয়ে অবশ্য তখন তারা তেমন সমালোচনা করেননি। কারণ দীর্ঘ বিরতির পর রাজনীতি আবার কি প্রক্রিয়ায় শুরু হবে এ নিয়ে ইখতিলাফ হওয়াটা খুব স্বাভাবিক ছিল৷ আইডিএল গঠনের সিদ্ধান্তটাও ওলামাদের এক অংশের ইজতিহাদ ছিল। আর ইজতিহাদী ভুল বলে যে ইসলামী আইনবিজ্ঞানে একটা কথা আছে অপর পক্ষের ওলামারা ব্যাপারটা তেমনভাবেই দেখেছিলেন। এবং শেষমেশ তাদের দূরদর্শী ধারণাই সঠিক হয়। খুব অল্প সময়ের ভেতর আইডিএল অকার্যকর হয়ে পড়ে। জামায়াতের মাওলানা আব্দুর রহিম সাহেব দল থেকে বের হয়ে পৃথক সংগঠন করেন। 

আশরাফ : আইডিএলে ভাংগনের কারণ কি ছিল বলে আপনি মনে করেন?

নেজামী : একটা ব্যাপার সব সময় মনে রাখবা, রাজনীতি হয় কর্মীদের দ্বারা। কর্মী ছাড়া শুধু নেতা সর্বস্ব দল দিয়ে রাজনীতি হয়না। আইডিএল এমনই নেতাদের একটা দল ছিল। যেমনটা গত নির্বাচনের আগে ঐক্যফ্রন্ট ছিল।

দ্বিতীয় একটা কারণ ছিল আদর্শের ভিন্নতা। দলের আদর্শ এক থাকলে কর্মীরা সে আদর্শের উপর ভিত্তি করে রাজনীতি করতে পারে। কিন্তু কয়েক মতাদর্শের লোক একটা দল করলে সেটার ভাংগন অনিবার্য। রাজনীতির মাঠে শক্তি অর্জন বা ভোটের লড়াইয়ের জন্য ভিন্ন মতাদর্শের সাথে যদি মিলতেই হয় তাহলে কৌশলগত জোট বা ঐক্য হতে পারে। আইডিএল তো একটা দলের মত হয়ে গিয়েছিল।

আশরাফ : জমিয়ত তো নেযামে ইসলামের নেতাদের কারণে আইডিএলে আসতে পারতো। তারা কেন আইডিএলে আসে না? এটা কি মাদানী-থানভী ধারার কোন ইখতিলাফ?

নেজামী : না। মাদানী থানভী ধারা বাংলাদেশের ইসলামী রাজনীতিতে মাঠ পর্যায়ে কখনোই গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। জমিয়তের আইডিএলে না আসার কারণ সেটাই যেটা মাত্র বললাম। নেযামে ইসলাম আইডিএলে নিজেদের স্বকীয়তা ধরে রাখতে পারেনা। এখানে অনেক দল ও আদর্শের লোকজন একত্রিত হয়ে যায়।

আশরাফ : তখন নেযামে ইসলামে কেন্দ্রীয় নেতা কারা ছিলেন?

নেজামী : খতিবে আযম সভাপতি ছিলেন। শায়খুল হাদিস আল্লামা আযিযুল হক সাহেব সহসভাপতি ছিলেন। 

আশরাফ : কিন্তু কেউ কেউ তো বলে শায়খুল হাদিস রহ. জমিয়তে ছিলেন?

নেজামী : হ্যা, তবে সেটা জমিয়তে ওলামায় হিন্দ না। যারা বাংলাদেশে জমিয়ত নামে কাজ করছিল। বরং
এটা জমিয়তে ওলামায় ইসলাম ও নেযামে ইসলাম। নেযামে ইসলামের সাথে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম শব্দটা আছে। অফিসের বাইরে সাইনবোর্ড টানানো আছে তো। খেয়াল কইরো।

আশরাফ : আপনি সাংগঠনিকভাবে নেযামে ইসলাম পার্টির রাজনীতি কবে থেকে  শুরু করেছেন?

নেজামী : সংঠনের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ শুরু করেছি আইডিএল গঠনের পর। তখন নেযামে ইসলামের যারা আইডিএলে যান নাই তারা আলাদাভাবে নেযামে ইসলাম পার্টির ব্যানার ধরে রেখেছিলেন। এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন সৈয়দ মঞ্জুরুল এহসান সাহেব। নাজিমুদ্দিন রোডের হাসিনা মনজিল তখন নেযামে ইসলামের কেন্দ্রীয় অফিস। মঞ্জুর সাহেবই আমাকে ধরে এনে কাজের অনুরোধ করেছিলেন। আমি প্রথমে অসম্মতি জানালেও পদবি দেওয়া যাবে না এ শর্তে রাজি হই। এরপর থেকে আমি লম্বা একটা সময় পদবি ছাড়া শুধু সংগঠন গোছানোর কাজ করেছিলাম। এটা প্রায় ৭৮ সাল থেকে ৮৬ সাল পর্যন্ত। মঞ্জুর সাহেবের ইন্তেকালের পর কাউন্সিল করে নতুন কমিটি হয়। তখন বাধ্য হয়েই আমাকে দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়। 

আশরাফ : আইডিএলে ভাংগনের পর কি আবার সবাই নেযামে ইসলামে ফিরে আসেন?

নেজামী : খতিবে আযম ফিরে এসে সভাপতির দায়িত্ব নেন। মঞ্জুর সাহেব অসুস্থ হওয়ার পর এডভোকেট আব্দুর রকিব সাহেব সেক্রেটারি হন। যিনি এখন বিএনপি জোটে থাকা ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান। ব্যাপার হচ্ছে, নিকট ইতিহাসে দীর্ঘদিন যাবৎ জনপ্রিয় ও সফল একটি ইসলামী দল হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি থাকায় নেযামে ইসলামের ব্যানারটা অনেকেই কাজে লাগাতে চান। ফলশ্রুতিতে মোট তিনটা নেযামে ইসলাম হয়।
১. মঞ্জুর সাহেবের নেযামে ইসলাম, যেটাতে আমি ছিলাম। 
২ আশরাফ আলী সাহেবের নেযামে ইসলাম। তখন ফরিদাবাদের মুহাদ্দিস। পাকিস্তান আমলে নেযামে ইসলামের রাজনীতি করেছেন। তিনি তার শাগরিদদের নিয়ে একটি নেযামে ইসলাম গঠন করেন। 
৩ চট্টগ্রামের আনোয়ারার মালেক হালিম সাহেবের নেযামে ইসলাম। তিনিও নেযামের প্রবীণ নেতা। চট্টগ্রামের দিকে জনপ্রিয় আলেম ছিলেন। তিনিও একটি নেযামে ইসলাম গঠন করেন।

আশরাফ : তিন নেযামে ইসলামের মাঝে কি সমন্বয়ের প্রচেষ্টা হয়েছিল?

নেজামী : হয়েছিল৷ এবং তা সফলও হয়েছে। খতিবে আযমের ইন্তেকালের পর তার এক স্মরণসভায় বাইতুল মুকাররমের খতিব ওবায়েদুল হক সাহেব ও মাওলানা মুহিউদ্দিন খান সাহেব তিনগ্রুপকে এক করার ঘোষণা দেন ও কার্যকরী উদ্যোগ নেন। 
মালেক হালিম সাহেবের গ্রুপের মাওলানা আরমান সাহেব, আশরাফ আলী সাহেবের গ্রুপের করিম সাহেব ও মঞ্জুর সাহেবের গ্রুপের আমি, এই তিনজনের সমন্বয়ে একটি আহ্বায়ক কমিটি করে মিটিং ডাকা হয়। 

আশরাফ : কেমন সাড়া পেয়েছিলেন? 

নেজামী : আসলে আল্লাহর পক্ষ থেকে মাকবুলিয়্যত ছিল। এমন সময় মাওলানা আশরাফ আলী ধরমন্ডলী সাহেব রাজনীতিতে ফেরেন। যিনি পাকিস্তান আমলে নেযামে ইসলামের জয়েন্ট সেক্রেটারি ছিলেন। আলেমদের মাঝে উনার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা থাকায় উনাকে কমিটিতে রাখার পর দলের জনপ্রিয়তা অনেক বেড়ে গেল৷ সে সময় একদিন মুফতি ইযহার সাহেব ওমরা থেকে এসে বললেন নেযামে ইসলাম করবেন। ইস্তিখারা ও কাবা তাওয়াফের পর তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরপর নেযামে ইসলামের নেতারা সারাদেশে সফর শুরু করলেম। চট্টগ্রাম থেকে সফর শুরু হয়। আশরাফ আলি ধরমন্ডলি সাহেব যেহেতু আগে থেকেই বেশ পরিচিত উনি কোন মাদরাসায় যাওয়ামাত্রই সবাই উনাকে সাদরে গ্রহণ করতেন। অল্প সময়ের মধ্যে সারাদেশে গণসংযোগে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ওলামায়ে কেরাম আবার রাজনীতিতে আসতে শুরু করেন। হাফেজ্জি হুজুরকে তখন নেযামে ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল৷ কিন্তু তিনি তখনো রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত নেননি। 

আশরাফ : নেযামে ইসলামের কি কোন ছাত্র সংগঠন ছিল?

নেজামী : চট্টগ্রামের নেযামে ইসলামের ছাত্র সংগঠন ছাত্র সমাজের সভাপতি তখন আফম খালিদ সাহেব। ছাত্র সমাজ তখন খুব সক্রিয় ছিল। ঢাকা ভার্সিটির ডাকসু নির্বাচনে হেভিওয়েট প্রার্থী দিয়েছিল ছাত্র সমাজ। ছাত্র সমাজের হয়ে তখন প্রতিদ্বন্দিতা করেছিলেন আমাদের শেখ লোকমান সাহেব।

আশরাফ : হাফেজ্জি হুজুরের তওবার রাজনীতিকে কিভাবে দেখেছেন?

নেজামী : অনেকে তখন বলেছেন, হাফেজ্জি হুজুরের রাজনীতিতে আসার পেছনে সৈয়্যদ আসআদ মাদানী প্রভাবক ভূমিকা ছিল। যিনি মাদানী সিলসিলার। কিন্তু হাফেজ্জী হুজুর নিজে আবার ছিলেন থানবী সিলসিলার৷ এই কারণেই হয়তো তিনি রাজনীতিতে মাদানী বা থানবী সিলসিলা ধরে আলাদা কোন ধারার দিকে যাননি। উভয় সিলসিলার সমন্বয় করে ইসলামপন্থীদের বৃহত্তর ঐক্যের ডাক দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। 

আশরাফ : হাফেজ্জি হুজুরের রাজনীতিতে এসে ইসলামপন্থীদের এক প্লাটফর্মে নিয়ে আসতে সম্মিলিত সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেছিলেন। সেখানে কি নেযামে ইসলাম ছিল?

নেজামী : বড় একটি অংশ যোগদান করেছিল। কিছু নেতারা যাননি। বাইরে থেকে গিয়েছিল। 

আশরাফ : এবার কি একটু বাংলাদেশের ইসলামী রাজনীতির স্বর্ণযুগ নব্বইয়ের দশকে প্রবেশ করা যায়?
-আরো প্রশ্ন বাকি!! 

নেজামী : আচ্ছা বলো.. এই শফিক, খালি চা কেন দিছো কেন? বিস্কুটও দাও...

বি.দ্র. সঙ্গত কারণে বিতর্ক সৃৃষ্টির শংকায় পরের আলাপ আপাতত প্রকাশিত হবে না ৷

জাগো প্রহরী/গালিব

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ