সৌদি আরবে তারাবি নামাজের জামাত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে রোববার


জাগো প্রহরী ডেস্ক :

সারা বিশ্বের মতো সৌদিআরবেও আঘাত হেনেছে করোনাভাইরাস । এ পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা
পাঁচ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনা প্রথম ধাপ হিসেবে ২৬ ফেব্রুয়ারি বিদেশিদের জন্য উমরার ভিসা বন্ধ করে দেয় হজ মন্ত্রণালয়। ও ১৭ মার্চ মক্কার মসজিদে হারাম মদিনার মসজিদে নববী ছাড়া সৌদি আরবের সব মসজিদে নামাজের জামাত ও জুমা সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সীমিত সংখ্যক মুসল্লিদের নিয়ে এ
 দুই মসজিদে জামাত ও জুমা জামাত চালু রয়েছে।

সৌদি আরবের ধর্মমন্ত্রী আবদুল লতিফ আলে শেখকে উদ্ধৃত করে আল রিয়াদ সংবাদপত্র এই খবর জানিয়ে বলেছে, ‘করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে বর্তমানে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের ওপর যে স্থগিতাদেশ আছে, তা মসজিদে তারাবি নামাজ আদায়ের ওপর স্থগিতাদেশের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মসজিদ বা বাসায় যেখানেই তারাবি আদায় করা হোক, তা সর্বশক্তিমান আল্লাহ যেন কবুল করেন, আমরা সেই প্রার্থনা জানাই। আমরা মনে করি, মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য এখন বাড়িতে নামাজ আদায় করা অধিকতর মঙ্গলজনক। আল্লাহ যেন আমাদের সবার নামাজ কবুল করেন ও বৈশ্বিক মহামারি থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করেন, সে প্রার্থনা জানাই।’

দিন হিসেবে পবিত্র রমজান মাসের আর মাত্র নয় দিন বাকি। রমজান মাসকে কেন্দ্র করে বিষয়ে নানা আয়োজন থাকে মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববীতে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি কোনো সিদ্ধান্তেই উপনীত হতে দিচ্ছে না। তাই, আগামী রোববার (১৯ এপ্রিল) হারামাইন প্রেসিডেন্সির প্রধান প্রফেসর ড. শায়েখ আবদুর রহমান বিন আব্দুল আজিজ আস সুদাইসের নেতৃত্বে মক্কা-মদিনা অধিদপ্তরের বোর্ড সভা বসতে যাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় তারাবি ও উমরার জন্য মসজিদে হারাম সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে না পূর্বের মতো বলবৎ থাকবে।

ইতোমধ্যে সৌদি আরবের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে বাড়িতে তারাবির নামাজ আদায়ের নির্দেশনাসংবলিত একটি ঘোষণা দিয়েছেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত দেশটির মসজিদগুলোতে জামাতে নামাজ আদায়ের ওপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়েছে সরকারের তরফ থেকে।

জাগো প্রহরী/ফাইয়াজ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য