করোনায় মৃতদের দাফনে ইসলামী আন্দোলনের সারা দেশে টিম গঠন


জাগো প্রহরী ডেস্ক :

প্রাণঘাতী মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মৃৃতদের জানাজা ও দাফন কাফনের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণে সারাদেশে টিম গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে পীর সাহেব চরমোনাইর নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। কয়েকদিন এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট অনেক দায়িত্বশীলের সঙ্গে কথা বলে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এরই মধ্যে সিলেট, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি জেলা টিম গঠন করে মাঠে নেমেছে। ঢাকা মহানগরও ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। সোমবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা ইউনুছ আহমাদ ও যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

তারা বলেন, একটি জনকল্যাণমুখী ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জনগণের যে কোন দুর্যোগ ও সংকটে সর্বোচ্চ সাধ্য নিয়ে দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বর্তমান ভয়াবহ করোনা সংকটেও গোটা দেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং -এর সকল সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সদস্যগণ জনকল্যাণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

নেতারা বলেন, লকডাউনের শুরু থেকেই সারাদেশের নেতাকর্মীরা দলের আমিরের নির্দেশনা অনুযায়ী মানুষের বাড়ী বাড়ী সাধ্য অনুযায়ী ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে। করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশে মৃত্যু শুরু হলে, নতুন সংকট দেখা দেয় মৃতের জানাজা ও দাফন কাফন নিয়ে। এমনকি এখন স্বাভাবিক মৃত্যুতেও মানুষ আতঙ্কিত কোথাও কোথাও মুমূর্ষু মানুষকে হাসপাতালে নেয়ার জন্য কোন সহযোগী পাওয়া যাচ্ছে না।

চিকিৎসার অভাবে রাস্তায় পরেও মানুষ কাতড়াচ্ছে। এসব মানবিক বিষয়গুলো ইসলামী আন্দোলন এড়িয়ে যেতে পারে না।

তারা বলেন, ইতিমধ্যেই মহাসচিবকে আহ্বায়ক করে একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।

এ সেলের পক্ষ থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলা ও মহানগর শাখাকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ, মৃতের জানাজা ও দাফন-কাফন, অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসা সহায়তাসহ করোনা পরিস্থিতিতে যেকোনো ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজের তদারকী, মনিটরিং এবং পারস্পরিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখার জন্য ন্যূনতম পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি মনিটরিং সেল গঠন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সব জেলা, মহানগর এবং উপজেলা পর্যায়ে মৃত ব্যক্তির জানাজা ও দাফন কাফনের জন্য আলাদা টিম গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দলটি।

ত্রাণ তৎপরতা, চিকিৎসা সহায়তা এবং জানাজা ও দাফন-কাফনের ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন এবং সিভিল সার্জনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রক্ষাসহ সর্বদা ব্যক্তিগত সর্তকতা ও সুরক্ষা বজায় রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে।

জাগো প্রহরী/এইচএইচ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ