করোনাভাইরাস সংক্রান্ত জরুরি মাসায়েল



মুফতি মাসুম বিল্লাহ :

১.প্রশ্ন:

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর পর তাকে গোসল না দিয়ে কবর দেয়া যাবে কী ?

উত্তর: 
وبالله سبحانه التوفيق
চিকিৎসক যদি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও প্রটেকশন গ্রহণ করে চিকিৎসা করতে পারেন, তাহলে সেভাবে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও প্রটেকশন গ্রহণ করে (যেমন, দূর থেকে পাইপ দিয়ে পানি ছিটিয়ে হলেও) গোসল দিতে হবে, তদ্রুপ কাফন-দাফনও করতে হবে। এগুলো ফরযে কেফায়া তথা দু-তিনজন এমনকি একজন করলেই সবার পক্ষ থেকে আদায় হবে। নচেৎ সবাই গুনাহগার হবে।

তবে হ্যাঁ, একান্ত কোনো উপায়ে গোসল করানো সম্ভব না হলে তার শরীরে মোড়ানো ব্যান্ডিজ বা প্লাস্টিকের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত করলেও গোসল আদায় হবে, ইনশাআল্লহ!

যেভাবে পুরো শরীর দগ্ধ মৃতের গোশ খসে পড়ার আশঙ্কা হলে ব্যান্ডিজের উপর দিয়ে গোসল করানো যথেষ্ট হয়।
তবে  হ্যাঁ, যদি গোসল সম্ভব না হয় তাহলে তায়াম্মুম করানো হবে।

তদ্রুপ জানাযাও দু' তিনজন পড়লে হবে। অন্যথায় যারা পারবে তারা ব্যক্তিগতভাবে কবরের উপরে একাএকি জানাযা পড়বে। والله تعالى اعلم

প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে তদানুযায়ী করা৷
করোনা রোগীর লাশ দাফন!
লিখেছেন:
Dr. Shakeel Ahmed
Microbiologist-CMC
             
👉 জেনে রাখুন মৃতব্যক্তির দাফনে করোনা ছড়ানোর কোনই সম্ভাবনা নেই। কথাটা ১০০% সত্য। করোনা ছড়ায় মানুষের শ্বাস কাশ আর তার সিক্রেশন থেকে। কাফনে জড়ানো মৃতব্যক্তি শ্বাসও নেয় না, তার সিক্রেশনও কোথাও থাকে না।  দাফন করে দিলে মৃত ব্যক্তির শরীরের সব ভাইরাসও মরে যাবে। তাই লাশ দাফন ১০০% নিরাপদ। তবে সামান্য ঝুঁকি থাকে লাশ গোসল দেওয়ার সময়। তাও জীবিত শ্বাসকষ্ট জনিত রোগীর তুলনায় ০১% ও নয়। তার কারণ মৃত ব্যক্তি শ্বাস নেয় না তাই সে বাতাসে জীবানু ছড়ায় না। কেবল মৃত্যুর পর যদি তার নাক থেকে সিক্রেশন বের হতে থাকে বা গায়ে তা লেগে থাকে তাহলে তা ইনফেকটিভ। তাই গোসল করানোর সময় গ্লভস সহ ফুল পিপিই পড়ে সাবান দিয়ে ডলে গোসল করালে আর প্রয়োজনে নাকে তুলো দিয়ে দিলে আর কোন ঝুঁকি থাকে না। কেবল গোসল শেষে পুরো জায়গা ব্লিচিং সল্যুশন দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে আর যিনি গোসল করাবেন তিনি সাবান দিয়ে নিজে গোসল করে নিবেন। ব্যস হয়ে গেল ১০০% নিরাপদ কাফনে জড়ানো মৃতদেহ।  এটা এখন যে কোন জায়গায় দাফন করতে কোন সমস্যা নেই। মনে রাখবেন এর চেয়ে হাজার গুন অনিরাপদ হচ্ছে রুগীর ওরো ফ্যারিঞ্জিয়াল আর নেসোফ্যাঞ্জিয়াল সোয়াব সংগ্রহ, সিভিয়ার নিউমোনিয়ার রোগীকে ইন্ট্যুবেট করা, সাকশান দেওয়া বা ব্রংকিয়াল টয়লেটিং করা যা পৃথিবীর বহু চিকিৎসক হরহামেশাই ঝুঁকি নিয়ে করে যাচ্ছেন।
অতএব আতংকিত হবেন না। নিজের আপনজনকে নিরাপদে স্রদ্ধা আর ভালোবাসা দিয়ে দাফন-কাফন করুন।
👉 তবে খেয়াল রাখবেন যে জীবিত অবস্থায় যারা রোগীর সংস্পর্শে এসেছিলেন তাদের মধ্যে করোনা আগেই সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারে, তাই তারা কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন এবং লাশ দাফন-কাফনে কোনো ভাবেই জড়াবেন না। অন্যদের লাশ দাফনে কোনো সমস্যা নেই।
👉 অযথা ভীত হবেন না। নিরাপদে থাকুন সুস্থ থাকুন। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন। আমিন।

২. প্রশ্ন:

 এ্যালকোহল মিশ্রিত হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যাবে কি ?  তা কি পাক ধরা হবে ?

উত্তর:

‎وبالله سبحانه التوفيق
সব এ্যালকোহলের বিধান সমান নয়। হ্যান্ড স্যানিটাইজারে মিশ্রিত এ্যালকোহল মুসকির তথা নেশাগ্রস্ততা সৃষ্টিকারী হয় তবুও চিকিৎসার ক্ষেত্রে তা ব্যবহার বৈধ হবে ও পাক ধরা হবে।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহারের বৈধতা মুতাআখখিরিন হানাফী ফকীহগণ ইমাম আবূ ইউসুফ রহ এর মতানুযায়ী বৈধতার ফাতওয়া দিয়েছেন।
আর পাক হওয়ার মত ইমাম আবূ হানীফা রহ ও ইমাম ইবনে তায়মিয়াহ রহ এর থেকে প্রতীয়মান হয়।
 والله تعالى ا

৩. প্রশ্ন:
       
মুখে মাস্ক লাগিয়ে নামায পড়ার বিধান কী?

উত্তর:

‎وبالله سبحانه التوفيق
কোনো ওযর ছাড়া মাস্ক পরে নামায পড়া মাকরূহ।তবে ওযরের কারণে যেমন, ঠান্ডা, সর্দি, কাশি ইত্যাদির কারণে মাস্ক পরে নামায পড়া মাকরূহ নয়।
والله تعالى اعلم

৪. প্রশ্ন: 

করোনার কারণে মসজিদে জামায়াতে শরীক না হওয়া বৈধ হবে ?

উত্তর: 

وبالله سبحانه التوفيق
করোনা রোগীদের তো মসজিদে আসাই বৈধ নয়। আর সুস্থদের জন্য করোনা আক্রান্ত এলাকায় বা আক্রান্ত হওয়ার প্রবল ধারণা হচ্ছে সেখানের মসজিদে জামায়াতে শরীক না হওয়া বৈধ।
তবে যেখানে করোনা আক্রান্ত হয়নি বা আক্রান্ত হওয়ার প্রবল ধারণা নেই, সেখানে নিছক সন্দেহের বশিভূত হয়ে জামায়াতে শরীক হওয়া ত্যাগ করা যাবে না।
উল্লেখ্য, বাসা-বাড়িতে কমপক্ষে দুজন মিলে জামায়াত করেও জামায়াতের ছাওয়াব পাওয়া যাবে।
والله تعالى اعلم

 প্রশ্ন:

মসজিদ খোলা বা বন্ধ রাখা হবে ?
 মুসল্লীদের  সমাগম চালু বা বন্ধ করা হবে?

উত্তর:

بسم الله الرحمن الرحيم
نحمده ونصلي ونسلم على رسوله الكريم
اما بعد:

এখন আমরা একটা বিষয় একটু পর্যালোচনা করতে চাচ্ছি।
করোনার পরিস্থিতিতে মসজিদ বন্ধ করা বা না করা ও মসজিদে জামাতে উপস্থিত হওয়া বা মুসল্লিদের সমাগম হওয়া না হওয়ার বিষয়ে।

প্রথমেই জেনে নেই,

 করোনার সম্ভাবনা কি যান্নে গালিব নাকি ওহাম ?

করোনা সাস্পেক্টেড বা আক্রান্ত ব্যক্তি ও প্রবাস ফেরত ও তাদের পরিবারে করোনার সম্ভাবনা যান্নে গালেব, বাকিরা ওহাম।

প্রশ্ন হতে পারে,
প্রবাস ফেরতরা কে কোথায় চলাফেরা করেছে, কী কী ধরেছে?
তার উত্তর :
তাদের শুধু চলাচল ও আর ধরাতেই করোনা হয় না বরং ঐ চলাচল বা ধরার বস্তু বা স্থান অপর কেউ স্পর্শ করে সে হাত না ধুলে বা না ধুয়ে খেলে বা চোখ মুখ স্পর্শ করলেই তখন যান্নে গালিব৷
পক্ষান্তরে হাত ধুলে ওহামও নেই, তাহলে বাকিদের আমভাবে কী বলা যাবে।

আর শরীয়াতের বিধান ইয়াকীন বা যান্নে গালিবের উপর নির্ভরশীল,
ওহামের ভিত্তিতে হুকুম দেয়া যায় না।

এবার আসুন! মসজিদ নিয়ে পর্যালোচনা করি!

মসজিদের সমাগম নিয়ে আমাদের মূল যে চিন্তা-ভাবনার কারণ হলো যে ,
না জানি কোনো সংক্রমিত,  সাসপেক্টেড লোক দ্বারা মসজিদের অন্যান্য মুসল্লি সাসপেক্টেড হয়, সংক্রমিত হয়। এজন্য মসজিদের মুসল্লি সমাগম, বন্ধ করা, সীমিত করা ইত্যাদির প্রশ্ন।
সাসপেক্টেড বা আক্রান্ত বা সংক্রমিত লোক দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনার বিষয়টা আমরা একটু আগে তাহলে চিন্তা করি।

সংক্রমিত বা সাসপেক্টেড বা আক্রান্ত ব্যক্তি দুই ধরণের -

১)এক তো সাসপেক্টেড যে মোটামুটি মধ্যম স্টেজ পার করেছে। যার হাচি, কাঁশি একটা মারাত্মক পর্যায়ের দিকে।
সে তো তখন মসজিদে আসতে পারবে না।তখন তো তাকে আইসোলেশনে চলে যেতে হবে।
তো এমন রোগী মসজিদে আসবেই না।তার দ্বারা অন্য কেউ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।আর আমরা তাকে বাঁধাও দিবো, নিষেধ করবো।

২) দ্বিতীয়ত সাসপেক্টেড ফার্স্ট স্টেজের, প্রথম ধাপের যারা - তাদেরটা তো আমরা চিহ্নিত করতে পারছি না যে, কারা সাসপেক্টেড, কারা সাসপেক্টেড না।

 টু দ্যা পয়েন্ট :
এটাই আমাদের একটা চিন্তার বিষয়!!

কেউ যদি ফার্স্ট সাসপেক্টেড স্টেজে থাকে, তাহলেও তার ব্যাপারে এটা নিশ্চিত না যে, তার দ্বারা আরেকজন সরাসরি সংক্রমিত হবে, যদি না সে কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
যদি কেউ নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সুরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ গ্রহণ করে, তাহলে ফার্স্ট স্টেজের এই সংক্রমিত ব্যক্তি দ্বারা সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।  তবে আল্লাহ পাক চাইলে হতে পারে।হাত,মুখ ইত্যাদি যদি ধুয়ে নেওয়া হয়, তাহলে সাসপেক্টেড হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

অতএব কোথায় সে সিজদা দিলো, কোথায় হাত লাগালো, এতটুকুর দ্বারাই যথেষ্ট না, যদি তার হাত লাগা ইত্যাদি  স্থানগুলো আমরা ধুয়ে নেই।মুখ ধুয়ে নেই, হাত ধুয়ে নেই। ভালোভাবে সাবান দিয়ে ইত্যাদি যা ব্যবস্থা আছে - সেগুলো করে নেই। নিজে নিজের জায়নামাজ ব্যবহার করি, তাহলে এই সম্ভাবনাটা ক্ষীণ।
একদম ওয়াহামের পর্যায়ের। এটা যান্নে গালিব কোনোভাবে হতে পারে না।

আর ওয়াহামের ভিত্তিতে শরীয়তের বিধান পরিবর্তন ঘটবে না।তাই মসজিদের বিধানকে পরিবর্তন করার সুযোগ এই ওয়াহামের ভিত্তিতে আমরা মনে করতে পারছি না।

দ্বিতীয়ত :
দুনিয়াবি জরুরি বিভাগ যেমন মানুষের খাদ্য-বস্ত্র ; এই বিভাগের বাজার, কাঁচা বাজার ইত্যাদি খোলা রাখা হয়েছে।তো এই খানেও তো পাঁচজন, দশজন, বিশজন মানুষের সমাগম ঘটছে।সেখানে তো পূর্ণ বন্ধ করা হচ্ছে না ; বরং সুরক্ষা রেখে সেখানে যাওয়া-আসা চালু রাখা হয়েছে মানুষের জীবনের দিকে তাকিয়ে, বিপন্ন যাতে না হয়ে যায়। তদ্রুপ জরুরি বিভাগের চিকিৎসাক্ষেত্র বন্ধ করা হচ্ছে না। অথচ আমরা দেখছি যে, ডাক্তার সাসপেক্টেড হচ্ছে। তো ডাক্তার সাসপেক্টেড হওয়া সত্ত্বেও চিকিৎসালয় বন্ধ হচ্ছে না। অথচ ইমাম সাহেব- আলহামদুলিল্লাহ- এখনো সাসপেক্টেড পাওয়া যাচ্ছে না,বা মুসল্লি পাওয়া যাচ্ছে না, তাহলে কেন মসজিদ বন্ধ করা হবে ?
জরুরি বিভাগ, অন্যান্য পুলিশ বাহিনী, প্রশাসন, সেনাবাহিনী এক গাড়িতে একসাথে চলাফেরা করছেন, একসাথে তারা থাকছেন ; সেখানে সাসপেক্টেড হওয়ার সম্ভাবনা মনে করা হচ্ছে না। তো সেখানেও সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তো মসজিদেও যদি সুরক্ষা ব্যবস্থা (গ্রহণ) করা হয়, তাহলে সেখানে সমস্যা কেন?
অতএব আমাদের বিষয়টা একটু চিন্তা করার বিষয়।মসজিদ হলো দীনি জরুরি বিভাগ। যেরকম দুনিয়াবি জরুরি বিভাগ মানুষের অন্ন, বস্ত্র, স্থান।এরকম মসজিদও দীনি জরুরি বিভাগ। তাই দুনিয়াবি জরুরি বিভাগগুলো যেভাবে সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিয়ে চলছে। এরকম আল্লাহর ঘর মসজিদ দীনি জরুরি বিভাগও সর্বোচ্চ সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে চলছে, চলবে। কিয়ামত পর্যন্ত থাকবে ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সহিহ বুঝার ও আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

তৃতীয়ত:
বিধান নির্ভর করে বাস্তব অবস্থার উপর,
অন্য দেশের উপর কিয়াস করে নয়৷
ভারত-পাকিস্তানের অবস্থা ও বাংলাদেশের অবস্হা এক নয়, ভারত-পাকিস্তানের সাথে চীন ও ইরানের সরাসরি বর্ডার। গণ যাতায়াত।
তাই তাদের কঠোর লক ডাউনে যেতে হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের অবস্থা তা নয়। তারপর সংক্রমণের হালাতও কম।
বলতে পারেন সরকারি হিসাব নেই। কিন্তু নেটের যুগে কোন কিছু গোপন থাকার নয়। যার এলাকার তথ্য পেশ করলেই হবে।
যার যার এলাকার হালত বলেন। আমাদের মিরপুরে দু-তিনটা ছাড়া মিরপুরের অন্য কোথাও আলহামদুলিল্লাহ কোন খবর পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বস্তি প্রকাশ ডব্লিওএইচও (WHO) এর !!
কিন্তু মাথা ব্যথা দেশীয় জরিপের !!!

দেখুন,

ডাব্লিউএইচওর এক পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে কালের কণ্ঠে প্রকাশিত খবরে বলা হচ্ছে, ধারাবাহিকভাবে একদিকে আফ্রিকা অঞ্চল এবং অন্যদিকে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা তুলনামূলক কমই থাকছে। দৈনিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর হারও ইউরোপ ও আমেরিকা অঞ্চলের দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম, যা এ অঞ্চলের মানুষের জন্য অনেকটাই স্বস্তিদায়ক বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

সুতরাং
উপরোক্ত বিষয়গুলো হতে প্রতীয়মান হয় যে,
বাংলাদেশের হাল পরিস্থিতিতে মসজিদ বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়নি।
والله تعالى اعلم

উত্তর প্রদান করেছেন :
মুফতি মাসুম বিল্লাহ
উস্তাযুল হাদিস ওয়াল ফিকাহ,
জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মসজিদুল আকবার কমপ্লেক্স, মিরপুর-১ ঢাকা-১২১৬ ৷

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য